
মরদেহ হস্তান্তরকালে মন্ত্রী নিহত মোশাররফ হোসেনের পরিবারকে দাফন কার্য সম্পন্নের জন্য ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন। এ ছাড়া, ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে ঈদের পর নিহতের পরিবারকে তিন লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।
মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব রোজলিন শহীদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত আদেশ উদ্ধৃত করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ মার্চ পর্যন্ত সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কার্যক্রম চালু থাকবে। তিনটি শিফটে ২০ জন কর্মকর্তা ও ২৪ জন কর্মচারী পর্যায়ক্রমে দায়িত্ব পালন করবেন।
মোশাররফ হোসেন টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার কচুয়ার কীর্তনখোলা গ্রামের বাসিন্দা। গত ৮ মার্চ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিনি মারা যান।
অফিস আদেশে কার্যপরিধি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, আজ থেকে নিয়ন্ত্রণ কক্ষে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তারা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনে বিদেশস্থ শ্রমকল্যাণ উইংয়ের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করবেন এবং ছক মোতাবেক তথ্যাদি সংগ্রহপূর্বক ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তার কাছে জমা দেবেন।
অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা জানান, বিদেশে সবেচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হন গৃহকর্মী হিসেবে কাজে যাওয়া মানুষেরা। তাই প্রয়োজন এই খাতের বাইরে অন্য খাতে কর্মী পাঠানোর ব্যবস্থা করা। এ ছাড়া, দূতাবাসের পক্ষ থেকে সব সময় প্রবাসীদের খোঁজখবর এবং অভিযোগের বিষয়ে আইনি সহায়তা প্রদান করা প্রয়োজন।
প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বলেন, প্রবাসীদের নানা সমস্যা সমাধানে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যারা নিহত হয়েছেন, তাদের বিষয়ে খবর পাওয়া মাত্রই সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারকে অবহিত করা হয়েছে। প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় নিয়মিত এ বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছে।
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।
আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের টাকায় আমরা মন্ত্রণালয়ে বসে থাকি। তাই তাদের সুযোগ-সুবিধার জন্য যা যা প্রয়োজন সব করব। এ ছাড়া, প্রবাসীদের লাশ কোনো খরচ ছাড়া দেশে নিয়ে আসার সর্বোচ্চ ব্যবস্থা করব।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মালয়েশিয়ার দেওয়া ১০টি শর্তের মধ্যে ৭টা পূরণ করেছে ২৬০ টি এজেন্সি এবং ৬টি পূরণ করেছে ১৬৩টি এজেন্সি। এই তালিকার মধ্যে থেকে মালয়েশিয়া যাদের কাজের সুযোগ দেবে তারাই কর্মী পাঠাতে পারবে।
গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন (জিসিএম) ন্যাপের সফট অ্যাডপশন বাংলাদেশের নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষায় দেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
জাপান যেতে ইচ্ছুক কর্মীকে ভাষার পরীক্ষা এন-৫ অথবা এন-৪ পাস করার পর টেকনিক্যাল ইন্টার্ন ট্রেনিং প্রোগ্রাম (টিআইটিপি) অথবা স্পেসিফাইড স্কিলড ওয়ার্কার (এসএসডব্লিউ) পরীক্ষায় পাস করতে হবে।
আসিফ নজরুল প্রকৌশলী, চিকিৎসক ও নার্সসহ দক্ষ বাংলাদেশি পেশাজীবীদের ওমানের শ্রমবাজারে প্রবেশ সহজ করার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে অদক্ষ ও আধাদক্ষ কর্মীদের ভিসা স্থগিতাদেশ পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানান।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে মো. রুহুল আমিন শেখের সঙ্গে বিডিজেন প্রতিবেদকের গত ১১ জানুয়ারি দেখা হয়। তিনি বিডিজেনকে বলেন, “আমার ভাইয়ের লাশ ফেরত নিতে কত জায়গায় যে ঘুরতেছি তার ঠিক নাই। যে যেখানে বলতেছে সেখানে ঘুরতেছি। কিন্তু লাশ ফেরত নিয়ে আসার কোনো খবর পাচ্ছি না।”
বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সির কয়েকজন মালিক জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নানা কারণে বন্ধ হলেও মূল সমস্যা হলো সিন্ডিকেট। ২০২৪ সালে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ার পর নতুন করে মালয়েশিয়া থেকে যেসব শর্ত দেওয়া হয়েছে তাতে আবার আগের সিন্ডিকেট সদস্যরাই শ্রমশক্তি পাঠানোর সুযোগ পাবেন।
বিমানের টিকিটের ‘অস্বাভাবিক’ মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তদন্ত শুরু করেছে ৭ সদস্যের কমিটি।
এখন থেকে যাত্রীর নাম, পাসপোর্ট নম্বর ও পাসপোর্টের কপি ছাড়া যাতে টিকিট বুকিং করা না যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বৃহস্পতিবার থেকে বুকিং করা টিকিট-পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ইস্যু না করা হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এয়ারলাইনস সেই টিকিট বাতিল নিশ্চিত করবে।
প্রবাসীদের মানবাধিকার সংরক্ষণ ও সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ প্রবাসী নেটওয়ার্ক (বিপিএন)।
গতকাল শনিবার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের সুরক্ষা ও কল্যাণ বিষয়ে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড এবং মালয়েশিয়ার পারকেসার মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এ কথা জানান উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
মালয়েশিয়ায় ব্যবসায়িক মিটিং, চিকিৎসা অথবা কোন ব্যাক্তিগত কারনে ভ্রমণ করার জন্য ভিজিট ভিসা প্রদান করা হয়। সাধারণত ৩০-৯০ দিন হয় ভিজিট ভিসার মেয়াদ।